শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের ওপর সরাসরি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর, ইসরায়েল পুরো দেশজুড়ে নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, উন্নত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বা হয়তো কোনো আক্রমণের আশঙ্কায়, আসন্ন নির্দেশনা পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যেন বিমানবন্দরে না যান, এ আহ্বান জানানো হয়েছে। খবর বিবিসির।
এছাড়া, যারা বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন, তাদেরকে তাদের বিমান সংস্থা এবং সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে নিয়মিত আপডেট চেক করতে বলা হয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে এবং যদি প্রয়োজন হয়, তখন আবার আকাশসীমা খুলে দেওয়া হবে। তবে এ সিদ্ধান্তের পিছনে মূল লক্ষ্য হল দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সম্ভাব্য পাল্টা ড্রোন বা মিসাইল হামলা থেকে রক্ষা।
অন্যদিকে, দীর্ঘ দিন ধরেই উত্তেজনা বেড়ে চলছিল। অবশেষে, ইসরায়েল আজ শনিবার সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ইসরায়েল তার নিরাপত্তা রক্ষার জন্য এই সামরিক আঘাত চালিয়েছে এবং দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তারা জানিয়েছেন যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে তেহরানের বিভিন্ন অংশে বেশ কয়েকটি ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আরও বলছেন, এ ধরনের হামলা একটি ‘প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা’ এবং ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বেশি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অশান্ত পরিস্থিতিতে এই হামলা বোঝানো যায় যে, দুটি দেশই এখন অপ্রত্যাশিত সংকটের মুখোমুখি।
