জামায়াতের আমিরের অভিযোগ: গণমাধ্যমে নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ ও প্রতিবেদনের প্রতিবাদ

সরকারের বিরোধী দলকে পরিকল্পিতভাবে অ obedience করছি বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন যে, গণমাধ্যমের ওপর নির্লজ্জভাবে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসনে এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘সরকার যদি বিরোধীদলের পরামর্শ না মানে, তাহলে আন্দোলন ও প্রতিবাদ আরও কঠোরভাবে গড়ে তোলা হবে। কেউ যদি শুধু দলীয় পরিচয় বা রাজনৈতিকarputে জুলুমের শিকার হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হবো। আমরা চাই, সকলের অধিকার রক্ষা ও বিচার প্রতিষ্ঠা হোক।’’

তিনি আরও জানান, সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করলে দেশের মানুষের অধিকার সুরক্ষিত হবে। জননেতাদের একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা সম্ভব—এই প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।

এতিম শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘আমরা চাই এতিমদের মন থেকে মনিমুক্তা বের করে আনি। তাদেরকে এমনভাবে গড়ে তুলব, যাতে তারা দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’’ তিনি এও বলেন, ‘‘অ Allah সন্তুষ্ট হওয়ার মতো কাজ আমরা করব, এমন প্রত্যাশা রয়েছে।’’

একে অপরাধ হিসেবে দেখছেন, সম্প্রতি টেলিভিশনের চার সাংবাদিকের চাকরি হারানোর ঘটনায় প্রশ্নে সাংবাদিকদের জবাবে জামায়াতের আমির বলেন, ‘‘এটি হল সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর নির্লজ্জ আঘাত। আমরা সরকারের কাছে প্রত্যাশা করব— তাদের চাকরি ফিরিয়ে দিতে। অন্যথায় মনে করব, সরকার একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।

সভাপতির বক্তব্যে সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘‘বাংলাদেশের মানুষ ইসলাম ও কোরআনপ্রিয়। তারা কোরআনের চেতনায় বিশ্বাস করে ও জীবনের মূল ভিত্তি হিসেবে মানে।’’ এটাও উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নে সবাই একযোগে কাজ করলে স্বস্তি আসবে।

উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর উত্তরের প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং থানা নেতৃবৃন্দ।