বিএনপির সংসদ সদস্যরা প্রথমে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলে ঘোষণা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তারা এবং অন্যান্য জামায়াত কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা সংসদে শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সংসদ ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করান।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে নির্বাচিত বিদ্রোহী সাতজন সংসদ সদস্য, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, এবং ঢাকা-৬ আসনের ইশরাক হোসেন শপথ নেন। তবে ইশরাক হোসেন যথাসময়ে পৌঁছাতে পারেননি, তাই তার শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়নি। একই সঙ্গে শপথ নেন ইসলামী আন্দোলন থেকে নির্বাচিত একমাত্র সদস্য মো. ওয়ালীউল্লাহ।
এর আগে সকালে বিএনপি সংসদ সদস্যরা শপথ নেন, তবে তাদেরকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে নয়।
অন্যদিকে, পার্টির নেতারা শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে একটি বৈঠক করে, যেখানে তারা স্পষ্ট করে দেন যে, তারা শপথ নেবেন। রাজধানীর একটি মিলনায়তনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২১২টি আসনে বিজয়ী হয়। অন্যদিকে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭ আসনে জয় লাভ করে। এখান থেকে বোঝা যায় রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ও শপথের গুরুত্বকে কেন্দ্র করে নতুন এই দিকপাল ঘটনা ঘটেছে।
