বিএনপি সংরক্ষিত নারী আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চার নারী প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে। সোমবার নয়াপল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই মনোনয়ন তালিকা ঘোষণা করেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। মনোনীত চারজনের নাম হলো নিপুণ রায় চৌধুরী, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার এবং মাধবী মারমা।
মোনোনয়নের মধ্যে সামাজিক ও সম্প্রদায়ভিত্তিক প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধি আন্না মিঞ্জ উন্নয়নকর্মী ও আদিবাসী ওঁরাও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) এবং নাটোরের বাসিন্দা। আন্না মিঞ্জ জানিয়েছেন, তিনি সুবিধাবঞ্চিত সংখ্যালঘু, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভেতর থেকে তাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরবেন। তার স্বামী জন গোমেজ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক।
সুবর্ণা শিকদার গোপালগঞ্জ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি শিক্ষক ও ‘‘মথুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোট’’ের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত। মনোনয়ন ঘোষণা হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু প্রশ্ন উঠেছে যে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগে রয়েছেন—তথ্যটি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এসব জল্পনায় সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে সুবর্ণা শিকদার গণমাধ্যমকে বলেছেন, “আমি বিএনপির একজন সমর্থক। কোনো কমিটিতে নেই।” তার স্বামী পদ্মনাভ ঠাকুর আগে যুবদলের নেতা ছিলেন।
আরেক জন মনোনীত প্রার্থী মাধবী মারমা বান্দরবান থেকে প্রতিষ্ঠান ও আইনজীবী মহলে পরিচিত। তিনি বান্দরবান জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও দলের মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক।
দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বলেছেন, সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরিই এ উদ্যোগ গ্রহণের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব বাড়ালে জোরালো ও বহুমাত্রিক নেতৃত্ব গঠন সহজ হবে।
