প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে বৈঠক বসছে এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে ‘‘কিছুটা হলেও স্বস্তির অবকাশ’’ তৈরি করতে পারে। বুধবার তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, ‘‘ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির অবকাশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। অনেক দিন, প্রায় ৩৪ বছর পর দুই নেতার মধ্যে নীরবতা ভাঙছে। আগামীকাল তারা কথা বলবেন। চমৎকার!’’
ট্রাম্পের পোস্টে বৈঠক সংক্রান্ত কোনো বিস্তারিত বিবরণ দেননি—কোথায় দেখা হবে, কারা যোগ দেবেন বা আলোচনার এজেন্ডা কি হবে সেসব স্পষ্ট হয়নি। তাই এই মুহূর্তে বৈঠকের সময়, জায়গা ও অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে গত ১৪ এপ্রিল অবশ্য একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েশিয়েল লাইটার ও লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ অংশ নেন। সেখানে মার্কো রুবিওও উপস্থিত ছিলেন—এ তথ্যও সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ওই বৈঠকের ফলাফল কি হয়েছে তা প্রকাশ্যে আসেনি এবং ওয়াশিংটনের ওই বৈঠকের পরেও লেবাননে ইসরায়েলের অভিযান বন্ধ হয়নি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ইসরায়েল ও লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন এবং লেবাননের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন তাদের কাছে এ ধরনের কোনো বৈঠকের তথ্য নেই।
এই মুহূর্তে ট্রাম্পের আভাসিত বৈঠকটি ঘটবে কি না বা তা কীভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করবে, সেটি নির্ধারণের জন্য আরও স্বতন্ত্র ও সরকারি ঘোষণা প্রয়োজন। সূত্র: সিএনএন
