ভোলা-১ (ভোলা সদর) আসনের জন্য বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। সোমবার বিকেলে তিনি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এই আবেদন জানান, যা গ্রহণ করা হয়। এই আসনে বিএনপি ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের সিদ্ধান্তে প্রার্থী না থাকায় বিএনপি নিজের প্রার্থী যুক্ত করতে চায়নি। বিএনপির সূত্রের খবর, দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে গোলাম নবীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ আসার পর তিনি তা মেনে নেন। তিনি জানান, আজ বিকেলে তাঁর আইনজীবী আমিরুল ইসলামের মাধ্যমে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শামীম রহমানের কাছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, শেষ সময় ছিল ২০ জানুয়ারি, কিন্তু আজ সোমবার তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এবারের নির্বাচনে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির এই সিদ্ধান্তে ভোলা জেলা ও দলের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, আন্দালিভ রহমান পার্থ ঢাকা-১৭ আসনে (গুলশান, বনানী, বারিধারা, ক্যান্টনমেন্ট) নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিএনপি নেতারা তাঁকে উৎসাহিত করে বলেছিলেন, তারেক রহমানের আসনেও উন্নয়ন ও নির্বাচনী ক্ষমতা রয়েছে। বিষয়টি বোঝার পর তিনি ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন। বিএনপি এই আসনে প্রার্থী না রাখার ঘোষণা দেয়। প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের খবর পেয়ে বিজেপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা ব্যাপক উৎফুল্ল হয়ে উঠেছেন। তারা নতুন উদ্দীপনায় মাঠে নামার প্রস্তুতিও শুরু করেছেন। ধনিয়া ইউনিয়নের বিজেপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ আলী বললেন, ‘আন্দালিভ পার্থ জোটের প্রার্থী নিশ্চিত হওয়ায় আমরা সংগঠিতভাবে কাজ শুরু করেছি। আমাদের ভোটের ধরণ ও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য।’ গোলাম নবীর মনোনয়ন প্রত্যাহার হওয়ায় জেলা বিএনপির কার্যালয় বেশ শান্তত্ব দেখা যায়। অপরদিকে, ভোলার নতুনবাজারে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। মোতাসিম বিল্লাহ বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা সীমিত পরিসরে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং জোটের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষায় কাজ করছেন। এই পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় রাজনৈতি এজেন্সিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
Leave a Reply