ফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) জানিয়েছে যে, তারা চলমান অর্থপাচার ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের (আইপ্যাক) তদন্তে বাধার মুখোমুখি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইডি আরও জানায়, তারা আইপ্যাকের ১০টি অফিসে র্যাড চালাচ্ছিল—কলকাতার ৬টি এবং দিল্লির ৪টি। এই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী প্রাতীক জৈনের বাসভবনে যান এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণপত্র ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস সংগ্রহ করেন।
ইডির দাবি, র্যাডের সময় মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কলকাতা ডেপুটি কমিশনার ও সারানি থানার এক কর্মকর্তার সাথে। পরে কলকাতা পুলিশের কমিশনারও বেশ কিছু কর্মকর্তার সাথে আসেন। তদন্তের পরিচালনা শান্তিপূর্ণ ও পেশাদারিত্বপূর্ণভাবে চলছিল।
তবে, মমতার উপস্থিতির পর পরিস্থিতি শারীরিকভাবে বদলে যায়। ইডির ভাষ্য, তিনি ও তার সহযোগীরা আইপ্যাকের অফিস ও প্রাতীক জৈনের বাসভবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক প্রমাণ জোরপূর্বক সংগ্রহ করেন, যা তদন্তে বাধা সৃষ্টি করেছে। এই অভিযান সম্পূর্ণভাবে প্রমাণভিত্তিক, কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। কোনো রাজনৈতিক দলের অফিস তল্লাশি করা হয়নি এবং এটি নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সংযুক্ত নয়।
অন্যদিকে, মমতা ব্যানার্জী এই অভিযানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে। আমি প্রাতীককে ফোন করে জানিয়েছি, যিনি আমার দলের দায়িত্বে আছেন। আমি দলীয় ফাইল ও তথ্য সংগ্রহ করেছি। ইডি আমাদের অভ্যন্তরীণ তথ্য এবং প্রার্থী তালিকা চাইছে। এটি কি ইডি ও অমিত শাহের পরিকল্পনা?’
Leave a Reply