সর্বশেষঃ
সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে দুই বলিউড শিল্পীর উপর হামলা বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে! ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সংরণের জন্য আলাদা স্মরণসভা কেন, জেলা জানালেন হেমা মালিনী অ্যাশেজের শেষ দিনে রোমাঞ্চ, বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয় উসমান খাজার বিদায়: শেষবার মাঠে সিজদায় অবনত ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার ২০ ফুটবলার চূড়ান্ত, দেখুন কারা আছেন বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নতুন চমক বিসিবির নতুন চিঠি আইসিসিকে: বিস্তারিত জানালেন বোর্ড
ভারতে মেডিকেল কলেজের লাইসেন্স বাতিলেরциялар পড়তি মুসলিম শিক্ষার্থীদের বেশি ভর্তির নেই অভিযোগ

ভারতে মেডিকেল কলেজের লাইসেন্স বাতিলেরциялар পড়তি মুসলিম শিক্ষার্থীদের বেশি ভর্তির নেই অভিযোগ

ভারত-শাসিত কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায় অবস্থিত মাতা বৈষ্ণদেবী ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল এক্সেলেন্সে (এসএমভিডিআইএমই) এমবিবিএস কোর্সে বেশিরভাগ মুসলিম শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা বিক্ষোভ শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে, বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন (এনএমসি) কলেজটির লাইসেন্স বা অনুমোদন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। দুই মাস ধরে চলা তীব্র বিরোধিতা ও আন্দোলনের পর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আসে তারা। হিন্দুস্তান টাইমস, এনডিটিভিসহ বেশ কিছু ভারতীয় গণমাধ্যম বুধবার এই খবর প্রকাশ করেছে।

খবরে জানানো হয়, রিয়াসির কাটরা শহরে অবস্থিত এই মেডিকেল কলেজে এমবিবিএসের প্রথম ব্যাচে ভর্তি হওয়া ৫০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪২ জনই মুসলিম, আর আটজন হিন্দু। কলেজের কর্তৃপক্ষের দাবি, ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী। তবে, আসন বণ্টনে ‘অন্যায্যতা’ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম শিক্ষার্থী ভর্তির কারণে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা বিক্ষোভের আয়োজন করে। তারা আরও দাবি জানায় যে, হিন্দু শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বেশি আসন সংরক্ষণ করা হোক।

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে এই কলেজে ৫০টি এমবিবিএস আসনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। নভেম্বরে ‘রাষ্ট্রীয় বজরং দল’ (আরবিডি) নামের এক উগ্রপন্থী সংগঠন ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং হিন্দু শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সংরক্ষণ দেওয়ার দাবি জানায়।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তির সবটুকু ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যার বাড়তির কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করে, দেশের অন্যান্য অংশের মতো এ অঞ্চলেও ভালো পরীক্ষার ফল এবং ৮৫ শতাংশ ডোমিসাইল কোটার প্রভাব রয়েছে— যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশের বেশি।

তবে, এই ব্যাখ্যার পরও উগ্রপন্থী কয়েকটি সংগঠনের জোট ‘মাতা বৈষ্ণদেবী সংগ্রাম সমিতি’ প্রথমে কলেজের মেধাতালিকা বাতিলের জন্য দাবি জানায়। আইনগত কারণে সেটি সম্ভব না হওয়ায় পরে তারা কলেজটি পুরোপুরি বন্ধের দাবিও তোলে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Shipon tech bd