Blog

  • পাক সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি: সামান্য উসকানিতেও ত্বরিত কঠোর জবাব দেবে পাকিস্তান

    পাক সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি: সামান্য উসকানিতেও ত্বরিত কঠোর জবাব দেবে পাকিস্তান

    পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির আবারও সরাসরি পারমাণবিক হুমকি দিয়ে সতর্ক করেছেন প্রতিবেশী দেশ ভারতকে। আফগানিস্তানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তিনি এমন দৃঢ় মন্তব্য করেছেন, যা দক্ষিণ এশিয়ায় কূটনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর), পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি (পিএমএ) কাকুলে একটি পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেয়ার সময় তিনি এই বক্তব্য দেন। সেখানে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক শক্তি, প্রস্তুতি এবং প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা নিয়ে তিনি নানা জোরালো কথাবার্তা উচ্চারণ করেন, বিশেষ করে ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি হুঁশিয়ারি দেন।

    আসিম মুনির বলেন, “পারমাণবিক পরিবেশে যুদ্ধের কোনও স্থান নেই, তবে যদি কেউ সামান্য উসকানিও দেয়, পাকিস্তান দ্বিধাহীন ও চূড়ান্ত জবাব দেবে।” তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান এমন এক প্রতিক্রিয়া দেখাবে যা শত্রুর কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    তিনি এও উল্লেখ করেন, যদি আবার কোনও সংঘাত শুরু হয়, তবে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া শুধু কঠোরই থাকবে না, বরং তা শত্রুর বিশ্বাসকে ভেঙে দিতে পারে।

    ভারতের প্রতি কঠোর ভাষায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বলেন, “পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো আগ্রাসী মনোভাব না থাকলেও, প্রতিরক্ষা ও প্রতিশোধের জন্য আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রায়শই ভারতের সাথে যোগাযোগের দুরত্ব কমে আসায়, আমাদের অস্ত্রের প্রভাব তাদের ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে যেতে পারে।”

    এখানে তিনি ভারতের সামরিক কৌশল ও নীতিকে ‘কৌশলগত অন্ধত্ব’ বলে আখ্যায়িত করেন। এ ছাড়া, বলেন, শত্রু যদি উচ্চাকাঙ্ক্ষায় পরিচালিত হয় তাহলে পাকিস্তান আবারও বিজয়ী হবে।

    হুঁশিয়ারির পাশাপাশি তিনি মে মাসে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন বুনিয়ান-উন-মারসুস’-এর উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার প্রমাণ।

    অতিরিক্ত, দাবি করেন পাকিস্তানের বাহিনী বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তান রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, এস-৪০০ সিস্টেমের মতো আধুনিক প্রযুক্তি লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং বহুমাত্রিক যুদ্ধের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

    নিজের বক্তব্যে তিনি শুধু ভারতকেই নয়, আফগানিস্তান বিষয়ে ও কঠোর ভাষায় কথা বলেন। পাকিস্তান সেনাপ্রধান বলেন, দেশটির ভেতর থেকে পরিচালিত ‘প্রক্সি বাহিনী’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তালেবান সরকারকে সাবধান করে দেন। তিনি বললেন, পাকিস্তানে চলা সন্ত্রাসী কার্যক্রম একেবারেই বরদাশত করা হবে না।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়, পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া তাদের ভাবনায়ও বাধা দেয়ার মতো হবে। এর ফলস্বরূপ, তাদের জন্য বড় ধরনের সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে।

    সূত্র: জিও নিউজ

  • ইয়েমেন উপকূলে এলপিজি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

    ইয়েমেন উপকূলে এলপিজি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

    ইয়েমেনের উপকূলে এডেন উপসাগরে একটি এলপিজি বহনকারী ট্যাংকারে লাগানো হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাটি। হামলার পর ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, জাহাজটি ভয়াবহ আগুনের শিকার হয়েছে। তবে, এই হামলার সঙ্গে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানানো হয়েছে। হুথির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে, খবর টাইমস অব ইসরায়েল এবং আল জাজিরার।

    শনিবার, ১৮ অক্টোবর, এডেন উপসাগরে এই জাহাজে হামলার ঘটনাটি ঘটে। ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জাহাজটি জরুরি অবস্থায় ছিল এবং ক্রুরা সক্রিয়ভাবে এর থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ২০২৩ সাল থেকে গাজায় মানবাধিকার ও গণহত্যার প্রতিবাদে হুথিরা লোহিত সাগরে ইসরায়েল ও তার সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর উপর হামলা চালিয়ে আসছে। তবে, ১০ অক্টোবর ইসরাইল ও হামাসের মাঝে যুদ্ধবিরতির পর থেকে হুথিরা কোনো নতুন হামলার দাবি করেনি।

    যদিও সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে সাধারণত তাদের হামলার কয়েক ঘণ্টা বা দিনেক পরে দায়িত্ব স্বীকার করে থাকে। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স কেন্দ্র এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, এই ঘটনার স্থান এডেন থেকে প্রায় ২১০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। তারা বলেছে, একটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার ফলে আগুন ধরে যায়। ঘটনার এখনও তদন্ত চলমান।

    সমুদ্র নিরাপত্তা সংস্থা অ্যামব্রে জানিয়েছে, এই জাহাজটি ক্যামেরুনের পতাকাযুক্ত, এটি ওমানের সোহার থেকে জিবুতি যাওয়ার পথে ছিল। ইয়েমেনের আহওয়ার উপকূল থেকে প্রায় ৬০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে অবস্থানরত এই ট্র্যাকারটি জরুরি বার্তা পাঠানোর পর নাবিকরা দ্রুত কার্যক্রম শুরু করে, এবং এখন উদ্ধার অভিযান চলছে।

  • কাতার-তুরস্কের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত

    কাতার-তুরস্কের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত

    দীর্ঘদিন ধরে চলছিল উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং সংঘর্ষের পর অবশেষে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলো পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। কাতার ও তুরস্কের যৌথ মধ্যস্থতায় দুই দেশের প্রতিনিধিরা দোহায় একান্ত বৈঠক করে এবং_tlsay_{vt} একজন আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হন। এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত রোববার (১০ অক্টোবর) ভোরে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে নতুন এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়।

    গতকাল শনিবার পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা কাতার কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে দোহার শুল্কমোড়ের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছান এবং সেখানে এই দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা-কর্তারা দ্রুতই এই সংঘর্ষের অবসান ঘটানোর জন্য আলাপচারিতা চালান। আলোচনা শেষে দুই পক্ষই একে অন্যের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেবার সিদ্ধান্ত নেন। কাতার জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আবারও বিভিন্ন সময় এই বিষয় নিয়ে ফলোআপ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

    পাকিস্তান খোদ দুই বছর ধরে আফগান সীমান্তে স্বাভাবিকের বাইরে উত্তেজনা চলাচ্ছে। তালেবান ২০২১ সালে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে নেয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। গত দুই সপ্তাহে পরিস্থিতি রূপ নেয় সরাসরি সংঘর্ষের দিকে। সীমান্তে নিয়মিত গোলাগুলি, বিমান হামলা এবং সামরিক সংঘাতের কারণে হাজার হাজার মানুষ আহত ও নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা কয়েকশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    আলোচনায় আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুব, আর পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ। দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের ভেতর থেকে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী—তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) অন্তর্ভুক্ত—তাদের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং কাবুল সেই সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে। সীমান্তের প্রায় ২৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় এসব গোষ্ঠীর কার্যক্রম পাকিস্তানকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এসব হামলা বন্ধের জন্য পাকিস্তান বেশ কয়েকবার কাবুলকে সতর্ক করে এসেছে।

    অভিযোগের এই পরিস্থিতিতে দুই সপ্তাহ আগে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তান বিমান হামলা চালালে বেশ কিছু নাগরিক নিহত হন। এর পাল্টা করিয়ে সেদিক থেকে আফগান বাহিনী সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের ওপর হামলা চালায়। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়।

    শুরুর দিকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান মোট ৪৮ ঘণ্টার জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পাকিস্তান আবারও আফগান সীমান্তে বিমান হামলা চালায়। যদিও তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর দাবি করেন, বাস্তবে দেখা যায় পাকিস্তান নতুন করে হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    অভিযুক্ত দেশগুলো বলছে, তারা কোনোরকম সন্ত্রাসী বা জঙ্গি গোষ্ঠীর আশ্রয় বা মদদ দিচ্ছে না, বরং পাকিস্তানই বারবার আফগান সীমান্তে আমাদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। শুক্রবার আরও উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। আফগানিস্তান সংলগ্ন পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে তালেবান জঙ্গিরা আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে সাতজন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করে। এই ঘটনার পর পাকিস্তান কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সীমান্তে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেয়। পরিস্থিতি এখন আরও চরমে। সূত্র: রয়টার্স।

  • অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকসহ দুজন গ্রেফতার

    অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকসহ দুজন গ্রেফতার

    নগরীর দৌলতপুরের পাবলা খানপাড়া এলাকায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে দুইজন চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিদেশী পিস্তল, চারটি গুলির ভরা ম্যাগাজিন, সাত বোতল ফেন্সিডিল ও ৩৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন দৌলতপুরের পাবলা খানপাড়া এলাকার নূর ইসলাম গাজীর ছেলে রহমান গাজী (২৬) এবং দেয়ানা মোল্লাপাড়ার মোঃ আব্দুস সাত্তার এর ছেলে আবুল কালাম আজাদ (২৭)। নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মোঃ তৈমুর ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দৌলতপুরের ওই এলাকায় একটি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী রহমান গাজী ও আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড গুলির বরাদ্দ, সাত বোতল ফেন্সিডিল ও ৩৫০ পিস ইয়াবা। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও থানার রেকর্ড অনুযায়ী, রহমান গাজীর বিরুদ্ধে একটি এবং আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা রয়েছে।

  • রূপসায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    রূপসায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    খুলনার রূপসা উপজেলার পূর্ব রূপসায় সরকারি ডোবা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে আজ রোববার, ১৯ অক্টোবর, সকাল ১১টার দিকে। পূর্ব রূপসা ব্যাংকের মোড়সংলগ্ন রূপসা পার্কিং সেন্টারের (গ্যারেজ) পেছনের ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত যুবক রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের আদর্শ গলি এলাকার বাসিন্দা, চা ও পান বিক্রেতা আব্দুল হাকিমের ছেলে রেজাউল ইসলাম। তিনি তার পিতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। স্থানীয় লোকজন দেখতে পান, রেজাউলের মরদেহ ডোব্যা ভাসছে এবং তখনই তারা খবর দেন পুলিশকে। ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের বিভিন্ন স্থানে কোপের দাগ পাওয়া গেছে, যা তার মৃত্যুর কারণ হিসাবে সন্দেহের জন্ম দেয়।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন রূপসা থানার এসআই মোঃ ইমরান হোসেন এবং রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ির টু-আইসি সহ তারা পেশাদারিত্বের সঙ্গে মরদেহটি উদ্ধার করেন। জনমত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

  • কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের কাছে বাবরা রেলগেটে অজ্ঞাত এক নারী ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি রোববার ভোর সোয়া ৮টার দিকে ঘটে যখন খুলনা থেকে ছেড়ে আসা রাাজশাহীগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকাটিতে আসছিল। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনের নিচে তার শরীর দু-খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যায়। স্থানীয়রা ধারণা করছেন, নিহত নারী মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন।

    একজন কৃষক জানান, ট্রেন আসার আগে তিনি রেলগেটের পাশের মাঠে কাজ করছিলেন। তখন ওই নারীকেই দেখেন, তাকে দেখে মনে হয়েছিল সে মানসিক প্রতিবন্ধী।

    মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ট্রেনের চালকের মাধ্যমে জানতে পারেন যে বাবরা রেলগেট এলাকায় একটি নারী কাটা পড়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন পাঠিয়ে পরিস্থিতি দেখানো হয় ও খবর দেয়া হয় যশোর রেল পুলিশকে। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাচ্ছে।

  • কুষ্টিয়ায় ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

    কুষ্টিয়ায় ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

    কুষ্টিয়া সদর উপজেলার অন্যতম ঘটনা হলো মোশারফ হোসেন মুসা (৫৫) নামের এক ভ্যান চালকের মৃত্যু। তিনি তার নিজ বসতঘরের বারান্দায় দুর্বৃত্তদের দ্বারা কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনা ঘটেছে হরিনারায়ণপুর ইউনিয়নের শান্তিডাঙ্গা গ্রামে।

    আজ রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত মোশারফ হোসেন মুসা ওই এলাকার মৃত আকবর মণ্ডলের ছেলে।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শনিবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে যায়। মরদেহের বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোশারফ প্রতিদিনের মতো তার বসতঘরের বারান্দায় ঘুমোতেন। শনিবার রাতেও তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। তবে ভোররাতে পরিবারের লোকজন বাইরে গিয়ে তার রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। বিভিন্নভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভ্যান চুরি করতে গিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আবার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এটি শত্রুতা ও পূর্বশত্রুতার জেরেএ ঘটানো হয়েছে।

    নিহত মোশারফের মেয়ে শিখা বলেন, ‘আমার বাবা মোটেও ভ্যান চুরির জন্য এতটা নির্মমভাবে মারা যেতে পারেন না। এটি শত্রুতার কারণে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।’ তিনি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্র মতে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক ও সাংঘাতিক শত্রুতার নিয়মিত বিরোধ থাকতে পারে।

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি মেহেদি হাসান বলেন, ‘নিহত ব্যক্তির বুকে হাঁসুয়া বা অন্য কোনো ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি কেবল ভ্যান চুরির জন্য নয়, বরং অন্য কোন কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা হয়। যদি ভ্যান চুরি হয়ে থাকত, তবে সেটাও সাথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। পুলিশ ঘটনার তদন্ত চালেলছে, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে।’

  • অশান্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি নারী ও তরুণদের পথ রুদ্ধ করছে

    অশান্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি নারী ও তরুণদের পথ রুদ্ধ করছে

    সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) সম্প্রতি ‘নেতৃত্বে নারী ও তরুণ: বাধা কোথায়?’ শীর্ষক একটি সংলাপ ও কর্মশালার আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, তরুণ রাজনীতিবিদ, নারী নেতৃত্ব এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা। মূল লক্ষ্য ছিল নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা ও সম্ভাবনাগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। পাশাপাশি তরুণ নেতাদের মধ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্বে লিঙ্গভিত্তিক মানদণ্ড নিয়ে সচেতনতা ও ক্ষমতা বৃদ্ধি করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

    অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর জামায়াতের সভাপতি এড. জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, নগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ, সিপিবি খুলনার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. মো: বাবুল হাওলাদার এবং এনসিপি খুলনা জেলার সংগঠক ডা. আব্দুল্লাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সিজিএস’র প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান।

    এই কর্মশালা বাংলাদেশের অবদান থাকা নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী ও তরুণদের সম্পৃক্ততা’ প্রকল্পের অংশ। মূল আলোচনাটির সূচনা করেন সঞ্চালক জিল্লুর রহমান, যিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি বুঝতে চান, খুলনা অঞ্চলে নারীরা ও তরুণ সংগঠকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও কেন সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ছেন। তিনি আরও জিজ্ঞেস করেন, সমাজ, পরিবার বা রাজনৈতিক সংস্কৃতি—কোনটি সবচেয়ে বড় বাধা। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পরিকল্পিত গণআন্দোলনের পর সৃষ্ট প্রজন্মের মধ্যে আস্থা সংকটের বিষয়টিও তিনি উত্থাপন করেন, যেখানে নেতৃত্বের পরিবেশ ও যোগ্যতার পরিবর্তে আনুগত্যকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি আঙুল তোলে।

    অতিরিক্তভাবে, তিনি বাধ্যতামূলক প্রার্থী কোটা, নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন এবং অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধের বিষয়ে আলোচনা করার জন্য প্যানেলিস্টদের অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যত নেতৃত্বের জন্য গুণাবলী কি হওয়া উচিত, সে বিষয়ে তাদের ধারণা জানা জরুরি।

    প্যানেল আলোচনার পর, উপস্থিত তরুণ ও নারী প্রতিনিধিরা দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এই কর্মশালার মাধ্যমে দলীয় আলোচনা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজনীতিতে নারীর ও তরুণের সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিবন্ধকতাগুলো আরও গভীরভাবে চিহ্নিত হয়, এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের খোঁজও চালানো হয়।

  • সোনা-রুপার দামে রেকর্ডব্রেক বাড়তি, একদিনে সোনার ভরি দাম ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    সোনা-রুপার দামে রেকর্ডব্রেক বাড়তি, একদিনে সোনার ভরি দাম ৬৯০৫ টাকা বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও রেকর্ডের মুখোমুখি হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পাকা স্বর্ণের দামে গত কয়েক দিন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধির পর এবার এক দিনের মধ্যে অতি উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন দাম, যা বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) প্রকাশ করেছে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই মূল্য বৃদ্ধি অনুমোদন করা হয়। বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, পূর্বে অন্য সময়ে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছিল। গত মঙ্গলবারের দাম অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা, যা তখন দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে আজ এই রেকর্ড ভেঙে গেছে, কারণ নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম বাড়িয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামের কারণে বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি এখন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা, যা আগের চেয়ে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেশি। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য বেড়ে হলো ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১৪২ হাজার ৩০০ টাকা হয়েছে।

    প্রথমে কয়েক দিন আগে, ৭ অক্টোবর, স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১৯১,৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১৬৪,২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা। এরপর ৫ অক্টোবর দাম ছিল আরো সর্বোচ্চ, এই দাম গত শনিবারের ঘটনার ফলস্বরূপ।

    রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম বাড়িয়ে এখন ৪ হাজার ৯৮০ টাকা, যা আগের চেয়ে ৩২৬ টাকা বেশি। অন্য ক্যারেটের রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে—২১ ক্যারেটে ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৪ হাজার ৭১ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ৩ হাজার ৫৬ টাকা।

    এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্বর্ণ ও রুপার বাজারে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বার্তা বহন করে।

  • সরকারের কোনও সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়নি বলে জানাল সরকার

    সরকারের কোনও সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়নি বলে জানাল সরকার

    পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের ক্ষতিসাধন বা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের ক্ষতি হবে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৩ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছু স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গুজব ছড়িয়ে দিয়েছে যে, পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করার প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। তবে, সরকারের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং ব্যাংক একীভূত করার কাজে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনও উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেনি। সরকারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, এই বিষয়টি সম্পূর্ণই গুজব এবং ভিত্তিহীন। সবাইকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর খবর থেকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হয়।